ক বি ল ক্ষ্মী কা ন্ত ম ন্ড ল
কবিতা লিখেন। মেটাফোরকে লালন করতে শেখেন আর মেটাফিজিকস্-কে ধারণ করতে শেখেন। এক দশ কাব্যগ্রন্থের মধ্যে সম্প্রতি মনস্কাম ছুঁয়ে দেখো — শব্দরঙ থেকে এবং নিঃসঙ্গ নাভিচন্দন – পারস্পরিক থেকে প্রকাশিত।
দুটি কবিতায়
কবি লক্ষ্মীকান্ত মন্ডল
ত্বকে তখন ফোঁটা ফোঁটা শ্রমের নোটেশন
তারাও মাটিতে দাঁড়িয়ে বৃষ্টিপাত দেখছে আর সবুজ হয়ে যাচ্ছে খয়েরি রঙের দুপুর , বিকলাঙ্গ পাখিটিও উড়ছে নিঃস্ব শিমুলের উপর – শীত শীত অভ্যাসে ত্বকে তখন ফোঁটা ফোঁটা শ্রমের নোটেশন – অসমাপিকায় বিনীত হতে হতে জলে ভিজিয়ে নিচ্ছে লবনাক্ত ব্রহ্মতালু : ব্যর্থদিনের গরলপাত্রে অপেক্ষা করে লাইভ বীজতলার অলংকরণ
আমি কি সেই জন্মগত প্রিয়তম , নিজেকে সেঁকে নিতে নিতে চিরায়ত আগাছার বেগুনি ফুল দেখি
অতএব ফোকাসহীন স্বাদকোরক ঝাপসা হয়ে যায়
হলদে নদীটি আজও জন্মদান ছড়ায়
এবং দুটো স্তম্ভের মাঝে মুখোমুখি হচ্ছে নগ্নঘ্রাণের পঙতিমালা আর শূন্যতার মেরুন ঠোঁট , সেখানে একাদশীর চাঁদ পৃষ্ঠা উল্টে দেখে নিচ্ছে ভাঙা বানানের ইকোসিস্টেম , ভেসে আসে কবিতার অনুনাদিত কন্ঠধ্বনি – জন্মের ছবি এঁকে এঁকে হলদে নদীটি আজও জন্মদান ছড়ায় – ভবিষ্যৎ একটা সাদা ক্যানভাস জুড়ে আঁচড় কাটে রোদ
নাকি ছায়া সরে যায় , একে অপরের অনাসক্ত সম্পর্কে নারকেল পাতা তরঙ্গহীন – মলয়ের গল্পে জল কেটে জেগে উঠছে গ্রিনহাউস
ধাপ ধাপ শীতাতপ পেরিয়ে আমি রোদধর্ম , চেয়ে নিই অবিনশ্বর রৌদ্রপলাশ


Comments
Post a Comment